নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে মত দিতে রাষ্ট্রপতির সংলাপে যোগ দেবে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট। সোমবার রাতে খালেদা জিয়ার সঙ্গে চার দলের নেতাদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকের
পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের
বলেন, “চার দলের বৈঠকে শরিকদের সঙ্গে আলোচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া
হয়েছে।” আগামী ১১ জানুয়ারি সংলাপে অংশ নিতে সোমবার বিকেলে
রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে আমন্ত্রণ পায় বিএনপি। দলটি ইতিমধ্যে বলেছে,
রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণ পাওয়ার পর তারা এ সংলাপ নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া
জানাবে। তবে দলটি এও বলে আসছিল, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনবর্হালের সিদ্ধান্ত হওয়ার পর তারা নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন বিষয়ে সংলাপে আগ্রহী। গত ৩০ জুন পঞ্চদশ সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে বাতিল হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা। চারদলীয়
জোটের শরিক ইসলামী ঐক্যজোটের সঙ্গে আগামী ১ জানুয়ারি এবং এর পরদিন
বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সঙ্গে সংলাপ করবেন রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর
রহমান। দলগুলোর কাছে ইতিমধ্যে আমন্ত্রণপত্র পৌঁছেছে।
চার দলের অন্যতম শরিক বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বলেন, “রাষ্ট্রপতির সংলাপের বিষয়বস্তু নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।” তবে জামায়াত সংলাপের কোনো আমন্ত্রণ পায়নি বলে জানান মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম বুলবুল। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে আগামী ১২ জানুয়ারি সংলাপে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়ে সোমবারই চিঠি দেওয়া হয় রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে। বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ফেব্র“য়ারির মাঝামাঝি। এ পরিপ্রেক্ষিতে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে মতামত জানতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে গত ২২ ডিসেম্বর সংলাপ শুরু করেন রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান।
সোমবার পর্যন্ত দুই দফায় জাতীয় পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাতীয় পার্টির সঙ্গে সংলাপ করেছেন রাষ্ট্রপতি।
চার দলের অন্যতম শরিক বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বলেন, “রাষ্ট্রপতির সংলাপের বিষয়বস্তু নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।” তবে জামায়াত সংলাপের কোনো আমন্ত্রণ পায়নি বলে জানান মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম বুলবুল। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে আগামী ১২ জানুয়ারি সংলাপে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়ে সোমবারই চিঠি দেওয়া হয় রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে। বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ফেব্র“য়ারির মাঝামাঝি। এ পরিপ্রেক্ষিতে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে মতামত জানতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে গত ২২ ডিসেম্বর সংলাপ শুরু করেন রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান।
সোমবার পর্যন্ত দুই দফায় জাতীয় পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাতীয় পার্টির সঙ্গে সংলাপ করেছেন রাষ্ট্রপতি।
No comments:
Post a Comment