জ্বালানি তেলের দাম আরেক দফা বৃদ্ধি পাওয়ায় চলনবিলের কৃষকদের প্রায় ৩৭ কোটি
টাকা বোরো আবাদে জ্বালানি খরচ বাড়বে। এ দিকে দফায় দফায় তেলের দাম বাড়ায়
কৃষকরা বোরো আবাদ নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।
জানা গেছে, জ্বালানি তেল ডিজেলের দাম আবার লিটার প্রতি ৫ টাকা বেড়ে সর্বশেষ
৬১ টাকায় দাঁড়িয়েছে। যা গত বছরের বোরো মৌসুমে ছিল ৪৬ টাকা। কৃষি অধিদফতর
সূত্রে জানা গেছে, চলনবিলের প্রধান আবাদ হচ্ছে বোরো। বিলপাড়ের সিরাজগঞ্জের
তাড়াশ, রায়গঞ্জ, উল্লাপাড়া, শাহজাদপুর, পাবনার ফরিদপুর, ভাঙ্গুড়া, চাটমোহর,
নাটোরের গুরুদাসপুর, সিংড়া ও নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার
হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়ে থাকে। তার মধ্যে ১ লাখ ৫০ থেকে ৫৫ হাজার হেক্টর
জমিতে ডিজেল চালিত শ্যালোমেশিন দিয়ে পানি সেচ দেওয়া হয়। স্থানীয় কৃষকরা
জানান, চলনবিলের বিভিন্ন জায়গায় প্রকারভেদে প্রতি বিঘা জমিতে বোরো আবাদে
প্রায় ২২-২৪ লিটার ডিজেল প্রয়োজন হয়। গত মৌসুমে কৃষক সর্বশেষ ৪৬ টাকায়
ডিজেল কিনে আবাদ করলেও ধান ওঠার পর উৎপাদন ব্যয় এবং ধানের বিক্রয় মূল্যের
সমন্বয় না থাকায় বোরোতে যে লাভ করার কথা তা হয়নি।
বর্তমান বোরো মৌসুমে চলনবিলে ইতিমধ্যেই বোরো ধান লাগানো শুরু হয়েছে।
কিন্তু বোরো আবাদ নিয়ে প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ও মধ্যবিত্ত কৃষক দফায় দফায়
ডিজেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বোরো আবাদে সেচের নির্ধারিত বাজেট ছাড়িয়ে যাওয়ায়
শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। তা ছাড়া ডিজেলে গত বছর ভর্তুকি না পাওয়ায় কৃষককে
নিজস্বভাবেই ব্যয়ভার মেটাতে হয়েছে। লালুয়ামাঝিড়া গ্রামের কৃষক ফরিদুল ইসলাম
জানান, প্রতি একরে এ বছর গত মৌসুমের চেয়ে প্রায় দুই হাজার ৩০০ টাকা
অতিরিক্ত গুনতে হচ্ছে।
এ দিকে সরকার নির্ধারিত ডিজেলের দাম ৬১ টাকা থাকলেও চলনবিলের বিভিন্ন
হাটবাজারে খুচরা এবং পাইকারি বিক্রেতারা ৬১ টাকার স্থলে ৬৩ টাকা কৃষকের কাছ
থেকে আদায় করে নিচ্ছেন। গ্রাম পর্যায়ের খুচরা ডিজেল বিক্রেতারা আরও বেশি
নিয়ে থাকেন বলে কালিদাসনীলি গ্রামের কৃষক মজনু মিয়া জানান। আবার অনেক তেল
ব্যবসায়ী কৃষকের প্রয়োজন অনুযায়ী তেল সরবরাহ না করে অল্প পরিমাণ দিয়ে মজুদ
গড়ে তোলার পাঁয়তারা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ডিজেলের দাম বাড়লেও ধানের দাম
বাড়েনি। ফলে বছর বছর বোরো ধান উৎপাদনে কৃষকের ব্যয় দিন দিন বেড়েই চলেছে।
অথচ কৃষকের উৎপাদিত বোরো ধান বিক্রি করার পর যে দাম পাওয়া যায় তাতে কৃষকের
উৎপাদন খরচ তুলতে হিমশিম খেতে হয়। এ দিকে তেলের দাম বাড়ার আগে যে সব তেল
ব্যবসায়ী দোকানে মজুদ তেল রেখেছিলেন তা বর্ধিত মূল্যে বিক্রি করছেন। আগের
দামে কেনা তেল ওই দামে কেন বিক্রি হচ্ছে না এ প্রশ্ন করলে একাধিক তেল
ব্যবসায়ী বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেছেন, তাদের মজুদ নেই।
উত্তরবঙ্গের খবর
Tuesday, January 3, 2012
গরু চোর আর গরু চুরি সাত দিনে ২১টি
কুড়িগ্রামের উলিপুর পৌরসভার নাওডাঙ্গা গ্রামে গত ৭ দিনে ২১টি গরু ও ৬টি ভেড়া চুরির
যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এদিকে গত ৩১ ডিসেম্বর পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে
লাবলুর বাড়ির গ্রিল কেটে বাজাজ, পালসার মোটরসাইকেল চুরি যাওয়াসহ প্রতিদিন
ছোটখাটো চুরির ঘটনার ফলে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে পৌরবাসীর জীবন। জানা যায়,
নাওডাঙ্গা গ্রামবাসী পাহারা দিয়ে চোর ধরে থানায় দিলে ৬ ঘণ্টার মধ্যে ওই
চোরকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। এতে আতঙ্কিত জনসাধারণ গোয়াল ঘরে নিদ্রাহীন রাত যাপন
করছে। গ্রামবাসীর অভিযোগ, এত চুরির ঘটনার পরও পুলিশি সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে
না। বরং পুলিশি সহযোগিতায় চলছে যাত্রা ও জুয়া আসর। অভিযোগ রয়েছে, জুয়া যে
গ্রামে চলে, সে গ্রামে সমান তালে চলে চুরির ঘটনা। নিরুপায় গ্রামবাসী চোরের
সঙ্গে সমঝোতা করে ২টি গরু উদ্ধার করলেও বাকিগুলো উদ্ধার করতে পারেনি বলে
জানা যায়। এসব চুরির ব্যাপারে কেউ থানায় মামলা করেনি, ধরা চোরকে থানা থেকে
ছেড়ে দেওয়ার কারণে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, চুরির মামলা করলে, পুলিশ তাদের
হয়রানি করে। গরু পাওয়া যায় না, উল্টো হয়রানি, তার চেয়ে চোরের সহযোগিতায় গরু
উদ্ধারের পথ বেছে নিয়েছে বলে তারা জানায়। এ ব্যাপারে উলিপুর থানার ওসি
(তদন্ত) নাসির উদ্দিন জানান, গরু চুরির ঘটনা জানেন না। তবে সেদিন শহরের
চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছেন বলে জানান।
অমানবিক নির্যাতনের শিকার আফগান বালিকাবধূ
সাত মাস আগে বিয়ে হয় ১৪ বছর বয়সী আফগান বালিকা সাহারা গুলের। বিয়ের পরই
শ্বশুরবাড়িতে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয় সাহারা। কয়েক মাস ধরে গৃহবন্দি
রেখে তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায় শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা। হাতের
নখ তুলে, মাথার চুল তুলে নির্যাতন করে তার স্বামী ও শাশুড়ি। শরীরের বিভিন্ন
জায়গা সিগারেটের আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। কয়েক মাস ধরে সাহারাকে তার
পিতা-মাতার সঙ্গে দেখা করতে না দিলে পুলিশের সহায়তা নেয় তার পরিবার। এরপরই
বাগালান প্রদেশের পুলিশ ওই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সাহারাকে একটি বদ্ধ,
অন্ধকার কামরা থেকে উদ্ধার করে। বর্তমানে কাবুলের একটি হাসপাতালে চিকিৎসারত
আছে সাহারা। সম্প্রতি এ ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আফগান প্রেসিডেন্ট
হামিদ কারজাই। সাহারা গুলের নির্যাতনের ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে
তদন্ত করতে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন কারজাই। বাগলান
প্রদেশের পুলিশ কমকর্তারা জানান, তাকে নিচতলার ঘরে একটি মোটা পিলারের
সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছিল। এখান থেকে বের করে মুমূর্ষ অবস্থায় হাসপাতালে
ভর্তি করা হয়। পতিতাবৃত্তিতে রাজি না হওয়ায় তাকে মারধর করা হয়েছিল বলে
ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ। উল্লেখ্য, আফগানিস্তানে বাল্য বিবাহ এবং নারী
নির্যাতন একটি নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। গত বছরই দেশটিতে প্রায় ৩ হাজার নারী
নির্যাতনের মামলা হয়েছে। তবে মানবাধিকার কর্মীদের দাবি, এ সংখ্যা একেবারেই
নগণ্য। নির্যাতিত অধিকাংশ নারীকে গৃহবন্দি করে রাখার কারণে তারা আইনের
সাহায্য পাচ্ছে না। খবর সিএনএন, বিবিসি, এএফপি।
বগুড়ায় কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন
বগুড়ার বনানী খামারবাড়িতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর আয়োজিত ৫ দিনব্যাপী
কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রযুক্তি মেলা গত রোববার উদ্বোধন করা হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন করেন বগুড়া-১ এলাকার সাংসদ
আবদুল মান্নান। জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম
জিন্নাহর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বগুড়া জেলা প্রাণিসম্পদ
কর্মকর্তা ডা. নুরুন নবী, বগুড়া বিআরডিসির উপ-পরিচালক সাবিনা পারভীন।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আসাদুর রহমান দুলু, যাহেদুর রহমান যাদু,
রেবেকা সুলতানা ও সফল কৃষক শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
Saturday, December 31, 2011
‘তেলের দাম নববর্ষে সরকারের উপহার’
জ্বালানি তেলের আবার দাম বৃদ্ধিকে ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার এক আলোচনা সভায় সরকারের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তিনি আরো বলেন, “এর ফলে দ্রব্যমূল্য, পরিবহন ব্যয় ও কৃষি পণ্যের উৎপাদন খরচ বাড়বে, যা জনগণের ভোগান্তি বাড়াবে। এই মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে সরকার জনগণকে ইংরেজি নববর্ষের উপহার দিয়েছে।” সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম প্রতি লিটারে পাঁচ টাকা করে শুক্রবার বাড়িয়েছে সরকার। এ নিয়ে এই বছরে চতুর্থ বার তেলের দাম বাড়ানো হলো। কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের সমালোচনা করেন ফখরুল। তিনি বলেন, জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বার বার বাড়ানোর ফলে কৃষকদের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে। “সরকার গত তিন বছরে কৃষকদের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে। সারের মূল্য দফায় দফায় বাড়িয়েছে। ফলে কৃষকদের উৎপাদন খরচও উঠছে না,” বলেন সাবেক কৃষি প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, এই বছর আলুর ফলন বেশি হলেও কৃষকরা উৎপাদন খরচ ওঠাতে পারছেন না। এ জন্য সরকারের ‘ভ্রান্ত’ নীতিকে দায়ী করেন তিনি।
‘ব্যর্থতা’ ঢাকতে সরকার বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়ন চালাচ্ছে অভিযোগ করে ফখরুল বলেন, “একটার পর একটা মিথ্যা মামলা দিয়ে সরকার বিরোধী দলকে দাবিয়ে রাখার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। ১৮ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের দিন তারা (সরকার) নিজেরা বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে তার দোষ বিএনপির ওপর চাপাচ্ছে।” সরকার পতনে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
শুক্রবার এক আলোচনা সভায় সরকারের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তিনি আরো বলেন, “এর ফলে দ্রব্যমূল্য, পরিবহন ব্যয় ও কৃষি পণ্যের উৎপাদন খরচ বাড়বে, যা জনগণের ভোগান্তি বাড়াবে। এই মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে সরকার জনগণকে ইংরেজি নববর্ষের উপহার দিয়েছে।” সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম প্রতি লিটারে পাঁচ টাকা করে শুক্রবার বাড়িয়েছে সরকার। এ নিয়ে এই বছরে চতুর্থ বার তেলের দাম বাড়ানো হলো। কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের সমালোচনা করেন ফখরুল। তিনি বলেন, জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বার বার বাড়ানোর ফলে কৃষকদের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে। “সরকার গত তিন বছরে কৃষকদের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে। সারের মূল্য দফায় দফায় বাড়িয়েছে। ফলে কৃষকদের উৎপাদন খরচও উঠছে না,” বলেন সাবেক কৃষি প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, এই বছর আলুর ফলন বেশি হলেও কৃষকরা উৎপাদন খরচ ওঠাতে পারছেন না। এ জন্য সরকারের ‘ভ্রান্ত’ নীতিকে দায়ী করেন তিনি।
‘ব্যর্থতা’ ঢাকতে সরকার বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়ন চালাচ্ছে অভিযোগ করে ফখরুল বলেন, “একটার পর একটা মিথ্যা মামলা দিয়ে সরকার বিরোধী দলকে দাবিয়ে রাখার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। ১৮ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের দিন তারা (সরকার) নিজেরা বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে তার দোষ বিএনপির ওপর চাপাচ্ছে।” সরকার পতনে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
৪০ বছরেও শহীদ পরিবারের সদস্যের স্বীকৃতি মেলেনি
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ঠাকুরগাঁওয়ের এক পল্লীর শত শত নারী বিধবা হন। তাদের
স্বামীদের পাকসেনারা গুলি করে হত্যা করে। স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪০ বছরেও এসব
নারী শহীদ পরিবারের সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি পাননি। পাননি সরকারি
সুযোগ-সুবিধা। এমনকি স্বাধীনতা বা বিজয় দিবসেও কেউ তাদের খবর নেন না। অভাবী
এসব পরিবারের সবাই আজ অনাহারে-অর্ধাহারে দিনযাপন করছেন। বয়সের ভারে অনেকে
ন্যুব্জ হয়ে পড়েছেন। প্রচণ্ড এ শীতে তাদের ভাগ্যে জোটেনি এক টুকরো গরম
কাপড়ও। স্বামীহারা নয়ানী বেওয়ার কথা, 'হামার ভাতার (স্বামী) গ্যালাকগে মারি
ফ্যালাইল, হামারগিলাক ক্যানে ভগবান বাঁচি থুইলগে, হামাকও মারি ফ্যালান। আর
সবার পারছি না'। ঠাকুরগাঁওয়ের বিধবাপল্লী বলে পরিচিত জগন্নাথপুর গ্রামের
সব বিধবারই মনের কথা এটি।
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গ্রাম জগন্নাথপুর। '৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে ওই গ্রামসহ পাশের আরও ৩ গ্রামের প্রায় ২৫০ জন নারীর স্বামীকে পাকসেনারা নির্মমভাবে হত্যা করে। সরেজমিন জগন্নাথপুর গ্রামে গিয়ে কথা হয় স্বামীহারা ওইসব নারীর সঙ্গে। তারা সবাই অভাবী, দিন আনে দিন খায়। তাদের দেওয়া বর্ণনা মতে, প্রাণে বাঁচতে জগন্নাথপুর, চকহলীদ, সিঙ্গিয়া, চণ্ডিপুর, আলমপুর, শুকানপুকুর, ঢাবঢুবসহ বহু গ্রামের কয়েক হাজার নারী-পুরুষ ও শিশু '৭১ সালের ২৩ এপ্রিল ভারতের উদ্দেশে রওনা দেয়। প্রায় ২০ কিলোমিটার উত্তরে জাটিভাঙ্গায় তাদের পথরোধ করে এ দেশীয় কিছু পাকিস্তানি দালাল। ২৪ এপ্রিল সকালে দুই ট্রাক পাকসেনা চলে আসে জাটিভাঙ্গায়। রাজাকাররা সব পুরুষকে মিছিল করার কথা বলে নিয়ে যায় জাটিভাঙ্গা মাঠে। পাক বাহিনী সেখানে লাইন করে মেশিনগানের গুলিতে হত্যা করে সব পুরুষকে। এর সংখ্যা ছিল দু'সহস্রাধিক।
স্বামীহারা দুঃখিনী বেওয়া বয়সের ভারে এখন ন্যুব্জ। তবে স্মৃতিশক্তি এখনও প্রখর। তিনি বলেন, 'আর হামার কত বয়স হলে বয়স্ক ভাতা পামো! স্বামীয়ও যুদ্ধে হারাইছি। কে রাখে হামার খবর'; একইভাবে পবনসরি, পামতি, সুশীলা ও গঠনবালা বলেন, 'দ্যাখেছেন না বারে হামার গেলার অবস্থা, মইরবার লাগছি। ভাতারগুলাক (স্বামী) অ্যালা মারি ফেলাইল, হামারগুলাকও মারি ফ্যালাউক। মাইনসে কয়, বয়স হইলে টাকা পাওয়া যায়, তাহো পাইনো না। আর কতদিন পর হামরা বয়স্ক ভাতা পামো'!
এ ব্যাপারে জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক সাইয়েদা সুলতানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, নিয়মানুযায়ী যাদের বয়স্ক ভাতা দেওয়া প্রয়োজন তাদের দেওয়া হয়েছে। তবে যুদ্ধকালে পাকবাহিনীর হাতে নিহতদের বয়স্ক স্ত্রীরা এ ভাতা পেয়েছেন কি-না তা তিনি বলতে পারেননি। আর তাদের বিশেষ সুবিধা দেওয়ার ব্যাপারে কোনো নির্দেশনা নেই বলেও জানান তিনি। জগন্নাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান লিটন বলেন, চলতি শীতে তাদের (বিধবা) কাউকে শীতবস্ত্র দেওয়া সম্ভব হয়নি।
স্বামীহারা এসব নারীর ব্যাপারে বলা হচ্ছে, তাদের স্বামীরা যুদ্ধ করতে গিয়ে শহীদ বা নিহত হননি, তাই তারা শহীদ পরিবারের সদস্য হবেন কি-না তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জীতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, তারা শহীদ পরিবারের সদস্য হবেন কি-না এ বিষয়ে নির্দেশনা চেয়ে সংশিল্গষ্ট মন্ত্রণালয়ে লেখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এ ছাড়া বিধবাদের পুনর্বাসনের জন্য জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়েছে। ঠাকুরগাঁও নাগরিক কমিটির সভাপতি ডা. শেখ ফরিদ আহমেদ তাদের সংগঠিত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে স্বামীহারা এসব নারী একত্র হয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে তাদের সাহায্যের জন্য স্মারকলিপি দেন। ডা. ফরিদ জানান, দীর্ঘ ৪০ বছরে কেবল একবার ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির পক্ষ থেকে তাদের সামান্য কিছু অর্থ সাহায্য দেওয়া হয়েছিল।
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গ্রাম জগন্নাথপুর। '৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে ওই গ্রামসহ পাশের আরও ৩ গ্রামের প্রায় ২৫০ জন নারীর স্বামীকে পাকসেনারা নির্মমভাবে হত্যা করে। সরেজমিন জগন্নাথপুর গ্রামে গিয়ে কথা হয় স্বামীহারা ওইসব নারীর সঙ্গে। তারা সবাই অভাবী, দিন আনে দিন খায়। তাদের দেওয়া বর্ণনা মতে, প্রাণে বাঁচতে জগন্নাথপুর, চকহলীদ, সিঙ্গিয়া, চণ্ডিপুর, আলমপুর, শুকানপুকুর, ঢাবঢুবসহ বহু গ্রামের কয়েক হাজার নারী-পুরুষ ও শিশু '৭১ সালের ২৩ এপ্রিল ভারতের উদ্দেশে রওনা দেয়। প্রায় ২০ কিলোমিটার উত্তরে জাটিভাঙ্গায় তাদের পথরোধ করে এ দেশীয় কিছু পাকিস্তানি দালাল। ২৪ এপ্রিল সকালে দুই ট্রাক পাকসেনা চলে আসে জাটিভাঙ্গায়। রাজাকাররা সব পুরুষকে মিছিল করার কথা বলে নিয়ে যায় জাটিভাঙ্গা মাঠে। পাক বাহিনী সেখানে লাইন করে মেশিনগানের গুলিতে হত্যা করে সব পুরুষকে। এর সংখ্যা ছিল দু'সহস্রাধিক।
স্বামীহারা দুঃখিনী বেওয়া বয়সের ভারে এখন ন্যুব্জ। তবে স্মৃতিশক্তি এখনও প্রখর। তিনি বলেন, 'আর হামার কত বয়স হলে বয়স্ক ভাতা পামো! স্বামীয়ও যুদ্ধে হারাইছি। কে রাখে হামার খবর'; একইভাবে পবনসরি, পামতি, সুশীলা ও গঠনবালা বলেন, 'দ্যাখেছেন না বারে হামার গেলার অবস্থা, মইরবার লাগছি। ভাতারগুলাক (স্বামী) অ্যালা মারি ফেলাইল, হামারগুলাকও মারি ফ্যালাউক। মাইনসে কয়, বয়স হইলে টাকা পাওয়া যায়, তাহো পাইনো না। আর কতদিন পর হামরা বয়স্ক ভাতা পামো'!
এ ব্যাপারে জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক সাইয়েদা সুলতানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, নিয়মানুযায়ী যাদের বয়স্ক ভাতা দেওয়া প্রয়োজন তাদের দেওয়া হয়েছে। তবে যুদ্ধকালে পাকবাহিনীর হাতে নিহতদের বয়স্ক স্ত্রীরা এ ভাতা পেয়েছেন কি-না তা তিনি বলতে পারেননি। আর তাদের বিশেষ সুবিধা দেওয়ার ব্যাপারে কোনো নির্দেশনা নেই বলেও জানান তিনি। জগন্নাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান লিটন বলেন, চলতি শীতে তাদের (বিধবা) কাউকে শীতবস্ত্র দেওয়া সম্ভব হয়নি।
স্বামীহারা এসব নারীর ব্যাপারে বলা হচ্ছে, তাদের স্বামীরা যুদ্ধ করতে গিয়ে শহীদ বা নিহত হননি, তাই তারা শহীদ পরিবারের সদস্য হবেন কি-না তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জীতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, তারা শহীদ পরিবারের সদস্য হবেন কি-না এ বিষয়ে নির্দেশনা চেয়ে সংশিল্গষ্ট মন্ত্রণালয়ে লেখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এ ছাড়া বিধবাদের পুনর্বাসনের জন্য জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়েছে। ঠাকুরগাঁও নাগরিক কমিটির সভাপতি ডা. শেখ ফরিদ আহমেদ তাদের সংগঠিত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে স্বামীহারা এসব নারী একত্র হয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে তাদের সাহায্যের জন্য স্মারকলিপি দেন। ডা. ফরিদ জানান, দীর্ঘ ৪০ বছরে কেবল একবার ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির পক্ষ থেকে তাদের সামান্য কিছু অর্থ সাহায্য দেওয়া হয়েছিল।
মহাকাশে শয়তানের চোখ
মহাকাশে শয়তানের চোখের মতো দেখতে তারকামণ্ডলের সন্ধান পেয়েছেন
যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসার জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। নাসার
জ্যাকোবাস ক্যাপটিয়ান টেলিস্কোপে সম্প্রতি এটি ধরা পড়ে। টেলিস্কোপে ওই
তারকারাজির দিকে তাকালে মনে হয়, ওটা যেন পৃথিবীর দিকে ক্রুদ্ধ ভ্রুকুটি
করছে। খবর দ্য ডেইলি মেইল অনলাইনের। নাসা কর্মকর্তা গ্রিজমোদো বলেন, নাসার
চন্দ্র এক্স-রে মহাকাশ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র
থেকে এক মিটার ব্যাসের জ্যাকোবাস ক্যাপটিয়ান টেলিস্কোপ দিয়ে আকাশ পর্যবেক্ষণ করার সময় পৃথিবী থেকে ৪ হাজার ৩০০ আলোকবর্ষ দূরে এক ছায়াপথের কেন্দ্রস্থলে একটি তারকামণ্ডল চোখে পড়ে। সেটি আসলে এক ক্রমবর্ধমান কৃষ্ণ গহ্বরের দিকে এগোচ্ছে। এ কারণে কৃষ্ণ গহ্বরের গ্যাস এবং এ তারকামণ্ডলের আগুনের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া হচ্ছে। ওই বিক্রিয়ার দৃশ্যপট দেখতে অনেকটাই চোখের মতো। মনে হয়, ওই অগি্নশর্মা চোখটি পৃথিবীর দিকে ক্রুদ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। জ্বলজ্বল করছে ওই চোখের রক্তিম ভ্রু দুটি এবং ঝরছে বিপুল পরিমাণ নীল রশ্মি, যা ভয় পাইয়ে দেয়।
তিনি আরও জানান, বিজ্ঞানীরা এখন পরীক্ষা করে দেখছেন ওই বর্ধিষ্ণু কৃষ্ণ গহ্বরের সঙ্গে নক্ষত্রের আগুন ও গ্যাসের কী ধরনের রাসায়নিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া হচ্ছে।
থেকে এক মিটার ব্যাসের জ্যাকোবাস ক্যাপটিয়ান টেলিস্কোপ দিয়ে আকাশ পর্যবেক্ষণ করার সময় পৃথিবী থেকে ৪ হাজার ৩০০ আলোকবর্ষ দূরে এক ছায়াপথের কেন্দ্রস্থলে একটি তারকামণ্ডল চোখে পড়ে। সেটি আসলে এক ক্রমবর্ধমান কৃষ্ণ গহ্বরের দিকে এগোচ্ছে। এ কারণে কৃষ্ণ গহ্বরের গ্যাস এবং এ তারকামণ্ডলের আগুনের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া হচ্ছে। ওই বিক্রিয়ার দৃশ্যপট দেখতে অনেকটাই চোখের মতো। মনে হয়, ওই অগি্নশর্মা চোখটি পৃথিবীর দিকে ক্রুদ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। জ্বলজ্বল করছে ওই চোখের রক্তিম ভ্রু দুটি এবং ঝরছে বিপুল পরিমাণ নীল রশ্মি, যা ভয় পাইয়ে দেয়।
তিনি আরও জানান, বিজ্ঞানীরা এখন পরীক্ষা করে দেখছেন ওই বর্ধিষ্ণু কৃষ্ণ গহ্বরের সঙ্গে নক্ষত্রের আগুন ও গ্যাসের কী ধরনের রাসায়নিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া হচ্ছে।
জ্বালানী তেলের মূল্য ফের বৃদ্ধি; জীবনযাত্রা দুর্বিষহ
দফায় দফায় জ্বালানি তেল, গ্যাস এবং বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধিতে জনজীবনে
দুর্বিষহ অবস্থার সৃষ্টি হবে। অর্থনীতির অস্থিরতা আরও বাড়বে। এমন অভিমত
দিয়েছেন দেশের অর্থনীতিবিদ ও বিশিষ্টজনরা। তারা জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির
পরিবর্তে রাজনৈতিক বিবেচনায় নেওয়া উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় কমানোর পরামর্শ
দেন। তাদের অভিমত, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য বৃদ্ধির অজুহাতে জ্বালানির দাম
বৃদ্ধির সরকারি যুক্তি সঠিক নয়। বরং গত দেড় বছরে জ্বালানির আমদানি ব্যয়
প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে যাওয়ার কারণেই সরকারকে বারবার দাম বাড়াতে হচ্ছে। এদিকে
জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির পর বাস ভাড়া বাড়ানোর ঘোষণা আসছে আজ শনিবার। গতকাল
শুক্রবার পরিবহন নেতাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া
হয়নি। এদিকে বারবার রাতের আঁধারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির ঘোষণায়
বৈঠকে সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন খোদ আওয়ামী লীগ সমর্থক পরিবহন নেতারাই।
যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমাদের আগে থেকে কিছু না জানিয়েই
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে।
বাড়ছে জ্বালানির দাম, বাড়ছে জনদুর্ভোগ :গত বৃহস্পতিবার রাতে আকস্মিকভাবে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ৫ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়। এর আগে চলতি বছরের ৫ মে, ১৮ সেপ্টেম্বর এবং ১০ নভেম্বর তিন দফা ভাড়া বাড়ানো হয়। গত সাত মাসে এবার চতুর্থবারের মতো জ্বালানির দাম বাড়ল। চলতি মাসেই বেড়েছে বিদ্যুতের দাম। এ ছাড়া আছে লাগামহীন বাড়ি ভাড়া, বাজারে সকাল-বিকেল নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি। ফলে স্বল্প ও মধ্যআয়ের মানুষকে আগের চেয়ে বেশি আয় করেও মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে। নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষের অবস্থা আরও শোচনীয়।
জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিক্রিয়ায় বিআইডিএসের গবেষণা পরিচালক অর্থনীতিবিদ জায়েদ বখত বলেন, মাস তিনেক আগে জ্বালানির দাম আন্তর্জাতিক বাজারে কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও বর্তমানে পুরোপুরি স্থিতিশীল। তিনি বলেন, জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির প্রধান কারণ হচ্ছে ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য জ্বালানি তেল আমদানির পরিমাণ আগের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। বাড়তি তেল আমদানি করতে গিয়ে বাজেট ঘাটতি বাড়ছে। এ ছাড়া বৈদেশিক সাহায্য, রেমিট্যান্স এবং বিদেশি বিনিয়োগ থেকেও আশানুরূপ বৈদেশিক মুদ্রা আসছে না। ফলে একদিকে বেশি আমদানি, অন্যদিকে বৈদেশিক মুদ্রা আয় কমে যাওয়ায় ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নও
ঘটছে অনেক বেশি। ১১ দশমিক ৫৮ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতির চাপ পুরো অর্থনীতিকে সংকটজনক করে তুলেছে। অর্থনীতির এই সংকট মোকাবেলার জন্যই বারবার দাম বাড়ছে। এর পাশাপাশি দাতা সংস্থার চাপও আছে। আইএমএফের কাছ থেকে এক বিলিয়ন ডলারের যে ঋণ সাহায্য পাওয়ার কথা, তার জন্যও ওই সংস্থার পক্ষ থেকে জ্বালানির মূল্য সমন্বয়ের চাপ আছে।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান বলেন, জ্বালানির দাম যেটা বেড়েছে সেটা শতাংশে খুব বেশি নয়। কিন্তু রেওয়াজ হচ্ছে, জ্বালানির দাম বাড়লে তার সঙ্গে গণপরিবহনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক কিছুর দাম বাড়বে। দাম বাড়লে জনগণের কষ্ট হবে। অর্থনীতির অবস্থা ভালো হলে জনগণের কষ্ট বাড়িয়ে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি করার কথা নয়।
একটি সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারে উপদেষ্টা ড.মীর্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের উপায় ছিল না। কারণ এর আগে দুই দফায় দাম বাড়িয়ে যে আয় হয়েছে, মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকা অবমূল্যায়নের কারণে তার পুরোটাই চলে গেছে।
সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তৈরি পোশাক মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে মুদ্রাস্ফীতি বাড়বে, গণপরিবহনের খরচ বাড়বে, শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়বে, শিল্পে উৎপাদন খরচ বাড়বে। সরকারের সামনে যেমন ভর্তুকি কমাতে দাম বাড়ানো ছাড়া পথ নেই, আমাদের সামনেও তেমনি সংকট। ইউরোপে অর্থনৈতিক মন্দার কারণে পণ্যের উৎপাদন খরচ বাড়লে আমাদের শিল্পের আন্তর্জাতিক বাজার ধরে রাখা কষ্ট হবে।
বাস ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত আজ : বৃহস্পতিবার গভীর রাতে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির পর গতকাল শুক্রবার পরিবহনের ভাড়া বাড়েনি। শুক্রবার সরেজমিন ঘুরে কোনো বাসেই বাড়তি ভাড়া নিতে দেখা যায়নি। রাজধানীতে চলাচলরত অধিকাংশ বাস সিএনজিচালিত। অন্যদিকে বেশিরভাগ দূরপাল্লার বাস চলে ডিজেলে। ফলে একবার জ্বালানি তেল এবং সিএনজির মূল্য পৃথকভাবে বাড়ানো হলে গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে সংকটে পড়তে হয় যোগাযোগ মন্ত্রণালয়কে। এই সংকট আরও তীব্র হয় আগে থেকে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি অবহিত না হওয়ার কারণে। গতকাল শুক্রবার সড়ক ভবনে পরিবহন মালিকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত জরুরি বৈঠকে সেই সংকটের কথাই উঠে আসে যোগাযোগমন্ত্রীর কথায়। তিনি বলেন, 'আমি নতুন এসেই তোপের মুখে পড়লাম'। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে আগ থেকে জানানো হলে সবার সঙ্গে আলোচনা করতে পারতাম। দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাদের গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জানানো হয়। মন্ত্রী বাস মালিকদের সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান মূল্যে ভাড়া নেওয়ার আহ্বান জানান। বৈঠকে আওয়ামী লীগ সমর্থক পরিবহন নেতা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েতুল্লাহ রাতের আঁধারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেন।
সোহাগ পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফারুক তালুকদার সোহেল বলেন, ৫০ লাখ টাকা দামের বাসের দাম গত ছয় মাসে ৭০ লাখ টাকা হয়েছে। সব কিছুরই দাম বেড়েছে। তাই শুধু তেলের মূল্য বৃদ্ধি নয়, মোটরযান অধ্যাদেশ-১৯৮৩ অনুযায়ী সবকিছু হিসাব করেই ভাড়া নির্ধারণ করতে হবে।
কঞ্জুমার অ্যাসোসিয়েশনের (ক্যাব) সাধারণ সম্পাদক কাজী ফারুক বলেন, তেলের দাম বেড়েছে। আবার ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে কথা হচ্ছে। সব জায়গায়ই সাধারণ জনগণ উপেক্ষিত। তিনি জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে সব সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানান।
সভা শেষে বিআরটিসির চেয়ারম্যান আয়ুবুর রহমান খান জানিয়েছেন, আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বিআরটিসির অফিসে কস্টিং কমিটির প্রাথমিক মিটিং হবে। বিকেলে সড়ক ভবনে আলোচনা শেষে ভাড়ার সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এদিকে আবারও জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাপ) সংস্থার সহ-সভাপতি শাহাব উদ্দিন মিলন। তিনি বলেন, এর আগে আমরা লঞ্চের ভাড়া বাড়াইনি। এখন আর ভাড়া না বাড়িয়ে উপায় নেই।
বিভিন্ন সংগঠনের ক্ষোভ : জ্বালানি তেলের আকস্মিক মূল্য বৃদ্ধিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন সংগঠন। কয়েকটি স্থানে বিভিন্ন সংগঠন বিক্ষোভ মিছিলও বের করে।
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এবং সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেন, পদ্মা সেতু পিপিপি ভিত্তিতে নেওয়া প্রকল্পে লাখ লাখ কোটি টাকা দুর্নীতি, অপচয় হচ্ছে। সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো জ্বালানির দাম বাড়িয়ে সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, নারায়ণগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)। মিছিল শেষে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাসদ নেতা মাহবুবুর রহমান, অসিত বরণ বিশ্বাস প্রমুখ।
সিলেট ব্যুরো জানায়, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সিলেট শহরেও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাসদ।
বাড়ছে জ্বালানির দাম, বাড়ছে জনদুর্ভোগ :গত বৃহস্পতিবার রাতে আকস্মিকভাবে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ৫ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়। এর আগে চলতি বছরের ৫ মে, ১৮ সেপ্টেম্বর এবং ১০ নভেম্বর তিন দফা ভাড়া বাড়ানো হয়। গত সাত মাসে এবার চতুর্থবারের মতো জ্বালানির দাম বাড়ল। চলতি মাসেই বেড়েছে বিদ্যুতের দাম। এ ছাড়া আছে লাগামহীন বাড়ি ভাড়া, বাজারে সকাল-বিকেল নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি। ফলে স্বল্প ও মধ্যআয়ের মানুষকে আগের চেয়ে বেশি আয় করেও মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে। নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষের অবস্থা আরও শোচনীয়।
জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিক্রিয়ায় বিআইডিএসের গবেষণা পরিচালক অর্থনীতিবিদ জায়েদ বখত বলেন, মাস তিনেক আগে জ্বালানির দাম আন্তর্জাতিক বাজারে কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও বর্তমানে পুরোপুরি স্থিতিশীল। তিনি বলেন, জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির প্রধান কারণ হচ্ছে ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য জ্বালানি তেল আমদানির পরিমাণ আগের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। বাড়তি তেল আমদানি করতে গিয়ে বাজেট ঘাটতি বাড়ছে। এ ছাড়া বৈদেশিক সাহায্য, রেমিট্যান্স এবং বিদেশি বিনিয়োগ থেকেও আশানুরূপ বৈদেশিক মুদ্রা আসছে না। ফলে একদিকে বেশি আমদানি, অন্যদিকে বৈদেশিক মুদ্রা আয় কমে যাওয়ায় ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নও
ঘটছে অনেক বেশি। ১১ দশমিক ৫৮ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতির চাপ পুরো অর্থনীতিকে সংকটজনক করে তুলেছে। অর্থনীতির এই সংকট মোকাবেলার জন্যই বারবার দাম বাড়ছে। এর পাশাপাশি দাতা সংস্থার চাপও আছে। আইএমএফের কাছ থেকে এক বিলিয়ন ডলারের যে ঋণ সাহায্য পাওয়ার কথা, তার জন্যও ওই সংস্থার পক্ষ থেকে জ্বালানির মূল্য সমন্বয়ের চাপ আছে।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান বলেন, জ্বালানির দাম যেটা বেড়েছে সেটা শতাংশে খুব বেশি নয়। কিন্তু রেওয়াজ হচ্ছে, জ্বালানির দাম বাড়লে তার সঙ্গে গণপরিবহনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক কিছুর দাম বাড়বে। দাম বাড়লে জনগণের কষ্ট হবে। অর্থনীতির অবস্থা ভালো হলে জনগণের কষ্ট বাড়িয়ে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি করার কথা নয়।
একটি সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারে উপদেষ্টা ড.মীর্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের উপায় ছিল না। কারণ এর আগে দুই দফায় দাম বাড়িয়ে যে আয় হয়েছে, মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকা অবমূল্যায়নের কারণে তার পুরোটাই চলে গেছে।
সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তৈরি পোশাক মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে মুদ্রাস্ফীতি বাড়বে, গণপরিবহনের খরচ বাড়বে, শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়বে, শিল্পে উৎপাদন খরচ বাড়বে। সরকারের সামনে যেমন ভর্তুকি কমাতে দাম বাড়ানো ছাড়া পথ নেই, আমাদের সামনেও তেমনি সংকট। ইউরোপে অর্থনৈতিক মন্দার কারণে পণ্যের উৎপাদন খরচ বাড়লে আমাদের শিল্পের আন্তর্জাতিক বাজার ধরে রাখা কষ্ট হবে।
বাস ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত আজ : বৃহস্পতিবার গভীর রাতে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির পর গতকাল শুক্রবার পরিবহনের ভাড়া বাড়েনি। শুক্রবার সরেজমিন ঘুরে কোনো বাসেই বাড়তি ভাড়া নিতে দেখা যায়নি। রাজধানীতে চলাচলরত অধিকাংশ বাস সিএনজিচালিত। অন্যদিকে বেশিরভাগ দূরপাল্লার বাস চলে ডিজেলে। ফলে একবার জ্বালানি তেল এবং সিএনজির মূল্য পৃথকভাবে বাড়ানো হলে গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে সংকটে পড়তে হয় যোগাযোগ মন্ত্রণালয়কে। এই সংকট আরও তীব্র হয় আগে থেকে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি অবহিত না হওয়ার কারণে। গতকাল শুক্রবার সড়ক ভবনে পরিবহন মালিকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত জরুরি বৈঠকে সেই সংকটের কথাই উঠে আসে যোগাযোগমন্ত্রীর কথায়। তিনি বলেন, 'আমি নতুন এসেই তোপের মুখে পড়লাম'। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে আগ থেকে জানানো হলে সবার সঙ্গে আলোচনা করতে পারতাম। দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাদের গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জানানো হয়। মন্ত্রী বাস মালিকদের সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান মূল্যে ভাড়া নেওয়ার আহ্বান জানান। বৈঠকে আওয়ামী লীগ সমর্থক পরিবহন নেতা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েতুল্লাহ রাতের আঁধারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেন।
সোহাগ পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফারুক তালুকদার সোহেল বলেন, ৫০ লাখ টাকা দামের বাসের দাম গত ছয় মাসে ৭০ লাখ টাকা হয়েছে। সব কিছুরই দাম বেড়েছে। তাই শুধু তেলের মূল্য বৃদ্ধি নয়, মোটরযান অধ্যাদেশ-১৯৮৩ অনুযায়ী সবকিছু হিসাব করেই ভাড়া নির্ধারণ করতে হবে।
কঞ্জুমার অ্যাসোসিয়েশনের (ক্যাব) সাধারণ সম্পাদক কাজী ফারুক বলেন, তেলের দাম বেড়েছে। আবার ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে কথা হচ্ছে। সব জায়গায়ই সাধারণ জনগণ উপেক্ষিত। তিনি জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে সব সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানান।
সভা শেষে বিআরটিসির চেয়ারম্যান আয়ুবুর রহমান খান জানিয়েছেন, আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বিআরটিসির অফিসে কস্টিং কমিটির প্রাথমিক মিটিং হবে। বিকেলে সড়ক ভবনে আলোচনা শেষে ভাড়ার সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এদিকে আবারও জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাপ) সংস্থার সহ-সভাপতি শাহাব উদ্দিন মিলন। তিনি বলেন, এর আগে আমরা লঞ্চের ভাড়া বাড়াইনি। এখন আর ভাড়া না বাড়িয়ে উপায় নেই।
বিভিন্ন সংগঠনের ক্ষোভ : জ্বালানি তেলের আকস্মিক মূল্য বৃদ্ধিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন সংগঠন। কয়েকটি স্থানে বিভিন্ন সংগঠন বিক্ষোভ মিছিলও বের করে।
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এবং সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেন, পদ্মা সেতু পিপিপি ভিত্তিতে নেওয়া প্রকল্পে লাখ লাখ কোটি টাকা দুর্নীতি, অপচয় হচ্ছে। সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো জ্বালানির দাম বাড়িয়ে সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, নারায়ণগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)। মিছিল শেষে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাসদ নেতা মাহবুবুর রহমান, অসিত বরণ বিশ্বাস প্রমুখ।
সিলেট ব্যুরো জানায়, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সিলেট শহরেও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাসদ।
Friday, December 30, 2011
জেএসসি পরীক্ষায় শীর্ষ ১০ বিদ্যালইয়ের মাঝে নওগাঁ কেডি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়
জেএসসি পরীক্ষায় এবার নওগাঁ জেলা শীর্ষ ১০-এর মধ্যে নওগাঁ কেডি সরকারি উচ্চ
বিদ্যালয় আবারও প্রথম হয়েছে। ওই স্কুলের ১৬৫ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৬৫ জনই
পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৪ জন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে নওগাঁ সরকারি
বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের ২০১ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৯৯ জন পাস
করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৪ জন। তৃতীয় স্থানে রয়েছে নওগাঁ জিলা স্কুল।
স্কুলের ১২৩ জনের এর মধ্যে ১২২ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২ জন। এছাড়া
মান্দা দক্ষিণ মৈনম উচ্চ বিদ্যালয় চতুর্থ হয়েছে। পঞ্চম হয়েছে গোয়ালমান্দা
উচ্চ বিদ্যালয়। ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছে ধামইরহাট চকময়রম উচ্চ বিদ্যালয়।
নওগাঁ সীমান্ত পাবলিক হাইস্কুল সপ্তম স্থানে রয়েছে। অষ্টম হয়েছে নজিপুর
আলহেলাল ইসলামী একাডেমী। মান্দা নূরুল্লাহবাদ এম আই উচ্চ বিদ্যালয় নবম
স্থানে রয়েছে। দশম হয়েছে সাপাহার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়।
সেরা বিশে নওগাঁ সরকারি
কেডি উচ্চ বিদ্যালয়
জেএসসি পরীক্ষায় নওগাঁ কেডি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় দেশের সেরা বিশে ১৬তম স্থান অধিকার করেছে এবং জেলার মধ্যে প্রথম হয়েছে। গত বছরও জেলার মধ্যে প্রথম হয়েছিল।
এবারের পরীক্ষায় ওই বিদ্যালয় থেকে ১৬৫ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাসের হার শতভাগ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৪ জন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জিয়াউল হক মির্জা বলেন, শিক্ষকদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নিয়মিত ক্লাস, শিক্ষার্থীদের ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিতি ও অভিভাবক সমাবেশ, বিশেষ ক্লাস গ্রহণসহ সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের জন্য এ সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে।
সেরা বিশে নওগাঁ সরকারি
কেডি উচ্চ বিদ্যালয়
জেএসসি পরীক্ষায় নওগাঁ কেডি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় দেশের সেরা বিশে ১৬তম স্থান অধিকার করেছে এবং জেলার মধ্যে প্রথম হয়েছে। গত বছরও জেলার মধ্যে প্রথম হয়েছিল।
এবারের পরীক্ষায় ওই বিদ্যালয় থেকে ১৬৫ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাসের হার শতভাগ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৪ জন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জিয়াউল হক মির্জা বলেন, শিক্ষকদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নিয়মিত ক্লাস, শিক্ষার্থীদের ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিতি ও অভিভাবক সমাবেশ, বিশেষ ক্লাস গ্রহণসহ সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের জন্য এ সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে।
উৎসবে মেতেছে চোরেরা; কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাটে পবিসের ট্রান্সফরমার চুরি
সেচনির্ভর বোরো আবাদ মৌসুম শুরু হতে না হতেই ট্রান্সফরমার চুরির হিড়িক
পড়েছে। গত এক সপ্তাহে কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সাড়ে ৪
লাখ টাকা মূল্যের আটটি ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। এ নিয়ে গত ৬ মাসে সমিতির
২৬ লাখ টাকারও বেশি মূল্যের ৫৪টি ট্রান্সফরমার চুরি গেছে।
কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রধান কার্যালয় সূত্র জানায়, সোমবার রাতে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার রানীগঞ্জ সরকারপাড়া এলাকায় ১০ কেভিএ তিনটি ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। এর আগের দিন রাতে লালমনিরহাট সদর উপজেলার বড়বাড়ী শিবরাম এলাকায় ২৫ কেভিএ একটি এবং ১০ কেভিএ দুটি ট্রান্সফরমার চুরি হয়। এর তিন দিন আগে পঞ্চগ্রাম এলাকায় চুরি যায় ৫ কেভিএ দুটি ট্রান্সফরমার।
সূত্র আরও জানায়, ট্রান্সফরমার চুরি নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে গত ৬ মাসে সমিতির ৫৪টি ট্রান্সফরমার চুরি গেছে। যার মূল্য ২৬ লাখ টাকা। চুরি যাওয়া ট্রান্সফরমার প্রতিস্থাপিত করতে এই বিপুল পরিমাণ টাকা সংশ্লিষ্ট এলাকার কৃষক ও গ্রাহকদের পকেট থেকে দিতে হচ্ছে। কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পবিসের জেনারেল ম্যানেজার মোঃ হাবিবুর রহমান জানান, প্রতিটি চুরির ঘটনা তদন্ত করে দেখার পর সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করা হয়েছে। এ ছাড়াও গ্রাহকদের নিজ নিজ এলাকার ট্রান্সফরমার পাহাড়া দিয়ে রাখার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার মোঃ মাহবুবুর রহমান জানান, বোরো আবাদে সেচ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ লাইনের ট্রান্সফরমার চুরি রোধে নিজ নিজ এলাকার গ্রাহক, আনসার-ভিডিপি সদস্য, কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সদস্য ও চৌকিদার-দফাদারদের দিয়ে পাহাড়া দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণে কার্যক্রম চলছে। এ ছাড়াও চোরের দল ধরতে চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রধান কার্যালয় সূত্র জানায়, সোমবার রাতে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার রানীগঞ্জ সরকারপাড়া এলাকায় ১০ কেভিএ তিনটি ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। এর আগের দিন রাতে লালমনিরহাট সদর উপজেলার বড়বাড়ী শিবরাম এলাকায় ২৫ কেভিএ একটি এবং ১০ কেভিএ দুটি ট্রান্সফরমার চুরি হয়। এর তিন দিন আগে পঞ্চগ্রাম এলাকায় চুরি যায় ৫ কেভিএ দুটি ট্রান্সফরমার।
সূত্র আরও জানায়, ট্রান্সফরমার চুরি নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে গত ৬ মাসে সমিতির ৫৪টি ট্রান্সফরমার চুরি গেছে। যার মূল্য ২৬ লাখ টাকা। চুরি যাওয়া ট্রান্সফরমার প্রতিস্থাপিত করতে এই বিপুল পরিমাণ টাকা সংশ্লিষ্ট এলাকার কৃষক ও গ্রাহকদের পকেট থেকে দিতে হচ্ছে। কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পবিসের জেনারেল ম্যানেজার মোঃ হাবিবুর রহমান জানান, প্রতিটি চুরির ঘটনা তদন্ত করে দেখার পর সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করা হয়েছে। এ ছাড়াও গ্রাহকদের নিজ নিজ এলাকার ট্রান্সফরমার পাহাড়া দিয়ে রাখার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার মোঃ মাহবুবুর রহমান জানান, বোরো আবাদে সেচ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ লাইনের ট্রান্সফরমার চুরি রোধে নিজ নিজ এলাকার গ্রাহক, আনসার-ভিডিপি সদস্য, কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সদস্য ও চৌকিদার-দফাদারদের দিয়ে পাহাড়া দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণে কার্যক্রম চলছে। এ ছাড়াও চোরের দল ধরতে চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
যাত্রাপালার নামে অশ্লীল নৃত্য; তিনজনের কারাদন্ড
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে আয়োজিত মেলায় যাত্রাপালার নামে অশ্লীল নৃত্য
পরিবেশনের অভিযোগে তিন শিল্পীকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ
আদালত। ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রে সুব্রত পাল
মঙ্গলবার রাতে এ রায় দেন। কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছে_ মানিকগঞ্জ জেলার
দৌলতপুর উপজেলার লাকী, মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার নিপা ও চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার শারমিন।
বেহাল সড়ক: সংস্কারের দাবি নীলফামারীতে প্রত্যাহার, যশোরে ধর্মঘট চলছে
সড়ক সংস্কারের দাবিতে নীলফামারীতে ডাকা ৪৮ ঘণ্টার পরিবহন ধর্মঘট গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল
কাদেরের আশ্বাসের পর জেলা মোটর মালিক ও শ্রমিক সংগঠন ধর্মঘট প্রত্যাহারের
সিদ্ধান্ত নেয় বলে জানা গেছে।
এ দিকে সড়ক সংস্কারের দাবিতে যশোর-নড়াইল সড়কে গতকাল চতুর্থ দিনের মতো ধর্মঘট হয়েছে। সড়কটি সংস্কারের দাবিতে গতকাল যশোর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে যোগাযোগমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে মহাজোট সরকারের শরিক বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি।
নীলফামারী: নীলফামারী-ডোমারের চলাচল অনুপযোগী সড়ক সংস্কারের দাবিতে গত মঙ্গলবার নীলফামারীতে ২২ কিলোমিটারজুড়ে মানববন্ধন করা হয়। দাবি আদায়ে ওই দিন জেলা বাস, মিনিবাস, ট্রাক, ট্যাংক লরি, মাইক্রোবাস, পিকআপ ভ্যান মালিক সমিতি ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠন গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টা থেকে ৪৮ ঘণ্টার পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয়।
ধর্মঘটের কারণে গতকাল সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলায় সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল।
জেলা সদরের চওড়া গ্রামের নূর ইসলাম (৫০) পরিবহন ধর্মঘটের কারণে প্রায় ১২ কিলোমিটার পথ রিকশা ভ্যানে এসেছেন। প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ডোমার-নীলফামারীর রাস্তাটা এত খারাপ যে প্রায় পাঁচ বছর ধরে ওই রাস্তায় চলাচল করা যাচ্ছে না। ওই রাস্তা করার জন্য ৪৮ ঘণ্টা কেন, ৪৮ দিনও কষ্ট করতে রাজি আছি। তবু যেন রাস্তাটা ঠিক হয়।’
গতকাল রাতে জেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি শাহজাহান আলী চৌধুরী বলেন, ‘যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মুঠোফোনে আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন, সড়কটি উন্নয়নে আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সঙ্গে যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ করে কাজ শুরু করা হবে। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূর ভাইও আমাকে ফোন আশ্বস্ত করে বলেন, সংস্কারকাজ শুরু করতে না পারলে তিনিও আমাদের সঙ্গে আন্দোলন করবেন।’
শাহাজাহান বলেন, ‘আমরা সব পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠন যৌথভাবে কথা বলে সন্ধ্যা ছয়টা থেকে পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছি।’
এ ব্যাপারে নীলফামারী-২ আসনের সাংসদ আসাদুজ্জামান নূর প্রথম বলেন, ‘নীলফামারী-ডোমার সড়ক সংস্কারে আমি যোগাযোগমন্ত্রী এবং সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে সকালে কথা বলেছি। এ ব্যাপারে আগামী ৩ জানুয়ারি এডিবির সঙ্গে আলোচনা হবে। আমি বাসমালিক ও শ্রমিক সংগঠনকে আশ্বস্ত করেছি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রাস্তার কাজ শুরু করা হবে।’
যশোর: গতকাল ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য ইকবাল কবির স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে বলা হয়, যশোর-নড়াইল ও যশোর-খুলনা সড়ক দুটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সওজের উদাসীনতা ও দায়িত্বহীনতার কারণে সড়ক দুটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। স্থানীয় জনগণ, পরিবহনমালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলো সড়ক সংস্কারের দাবিতে লাগাতার আন্দোলন করছে। বর্তমানে যশোর-নড়াইল সড়কে ধর্মঘট চলছে। কিছুদিনের (৬ জানুয়ারি) মধ্যে যশোর-খুলনা সড়কেও ধর্মঘট শুরু হবে। বারবার সওজ কর্মকর্তা, সবশেষ যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব যশোরে এসে সংস্কারের আশ্বাস দেওয়ার পরও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
যোগাযোগ করলে যশোর সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়াউল হায়দার বলেন, যশোর-নড়াইল সড়কের সংস্কারকাজ শুরু করতে সেল-পিএইএল-জেভি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে গতকাল তৃতীয়বারের মতো চিঠি দেওয়া হয়েছে।
সেল-পিএইএল-জেভির অংশীদার যশোর জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম চাকলাদার। এ ব্যাপারে গতকাল বিকেলে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এ দিকে সড়ক সংস্কারের দাবিতে যশোর-নড়াইল সড়কে গতকাল চতুর্থ দিনের মতো ধর্মঘট হয়েছে। সড়কটি সংস্কারের দাবিতে গতকাল যশোর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে যোগাযোগমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে মহাজোট সরকারের শরিক বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি।
নীলফামারী: নীলফামারী-ডোমারের চলাচল অনুপযোগী সড়ক সংস্কারের দাবিতে গত মঙ্গলবার নীলফামারীতে ২২ কিলোমিটারজুড়ে মানববন্ধন করা হয়। দাবি আদায়ে ওই দিন জেলা বাস, মিনিবাস, ট্রাক, ট্যাংক লরি, মাইক্রোবাস, পিকআপ ভ্যান মালিক সমিতি ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠন গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টা থেকে ৪৮ ঘণ্টার পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয়।
ধর্মঘটের কারণে গতকাল সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলায় সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল।
জেলা সদরের চওড়া গ্রামের নূর ইসলাম (৫০) পরিবহন ধর্মঘটের কারণে প্রায় ১২ কিলোমিটার পথ রিকশা ভ্যানে এসেছেন। প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ডোমার-নীলফামারীর রাস্তাটা এত খারাপ যে প্রায় পাঁচ বছর ধরে ওই রাস্তায় চলাচল করা যাচ্ছে না। ওই রাস্তা করার জন্য ৪৮ ঘণ্টা কেন, ৪৮ দিনও কষ্ট করতে রাজি আছি। তবু যেন রাস্তাটা ঠিক হয়।’
গতকাল রাতে জেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি শাহজাহান আলী চৌধুরী বলেন, ‘যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মুঠোফোনে আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন, সড়কটি উন্নয়নে আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সঙ্গে যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ করে কাজ শুরু করা হবে। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূর ভাইও আমাকে ফোন আশ্বস্ত করে বলেন, সংস্কারকাজ শুরু করতে না পারলে তিনিও আমাদের সঙ্গে আন্দোলন করবেন।’
শাহাজাহান বলেন, ‘আমরা সব পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠন যৌথভাবে কথা বলে সন্ধ্যা ছয়টা থেকে পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছি।’
এ ব্যাপারে নীলফামারী-২ আসনের সাংসদ আসাদুজ্জামান নূর প্রথম বলেন, ‘নীলফামারী-ডোমার সড়ক সংস্কারে আমি যোগাযোগমন্ত্রী এবং সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে সকালে কথা বলেছি। এ ব্যাপারে আগামী ৩ জানুয়ারি এডিবির সঙ্গে আলোচনা হবে। আমি বাসমালিক ও শ্রমিক সংগঠনকে আশ্বস্ত করেছি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রাস্তার কাজ শুরু করা হবে।’
যশোর: গতকাল ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য ইকবাল কবির স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে বলা হয়, যশোর-নড়াইল ও যশোর-খুলনা সড়ক দুটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সওজের উদাসীনতা ও দায়িত্বহীনতার কারণে সড়ক দুটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। স্থানীয় জনগণ, পরিবহনমালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলো সড়ক সংস্কারের দাবিতে লাগাতার আন্দোলন করছে। বর্তমানে যশোর-নড়াইল সড়কে ধর্মঘট চলছে। কিছুদিনের (৬ জানুয়ারি) মধ্যে যশোর-খুলনা সড়কেও ধর্মঘট শুরু হবে। বারবার সওজ কর্মকর্তা, সবশেষ যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব যশোরে এসে সংস্কারের আশ্বাস দেওয়ার পরও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
যোগাযোগ করলে যশোর সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়াউল হায়দার বলেন, যশোর-নড়াইল সড়কের সংস্কারকাজ শুরু করতে সেল-পিএইএল-জেভি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে গতকাল তৃতীয়বারের মতো চিঠি দেওয়া হয়েছে।
সেল-পিএইএল-জেভির অংশীদার যশোর জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম চাকলাদার। এ ব্যাপারে গতকাল বিকেলে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
Thursday, December 29, 2011
শিবগঞ্জে ধর্ষণের শিকার তরুণী
শিবগঞ্জ উপজেলার দৌলতবাড়ীতে মানসিক প্রতিবন্ধী তরুণী সোমবার রাতে
গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনার পরদিন মঙ্গলবার রাতে ওই তরুণী বাদী হয়ে ৪
যুবককে আসামি করে শিবগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন।
মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে সত্রাজিতপুর ইউপির পারঘোড়াপাখিয়া গ্রামের মানসিক প্রতিবন্ধী ওই তরুণী বাসে করে শাহবাজপুর ইউপির শিয়ালমারা গ্রামে বোনের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে কানসাটে শাহবাজপুর ইউপির দৌলতবাড়ী গ্রামের রূপচাঁদ, তরিকুল, সানাউল্লাহ ও জাম্মু ওরফে পলাশ ওই তরুণীকে বোনের বাড়িতে পেঁৗছে দেওয়ার কথা বলে। এরপর তারা বাস থেকে সোনামসজিদে নামে। রূপচাঁদের বাড়িতে আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। শিবগঞ্জ থানার ওসি মির্জা আঃ সালাম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে সত্রাজিতপুর ইউপির পারঘোড়াপাখিয়া গ্রামের মানসিক প্রতিবন্ধী ওই তরুণী বাসে করে শাহবাজপুর ইউপির শিয়ালমারা গ্রামে বোনের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে কানসাটে শাহবাজপুর ইউপির দৌলতবাড়ী গ্রামের রূপচাঁদ, তরিকুল, সানাউল্লাহ ও জাম্মু ওরফে পলাশ ওই তরুণীকে বোনের বাড়িতে পেঁৗছে দেওয়ার কথা বলে। এরপর তারা বাস থেকে সোনামসজিদে নামে। রূপচাঁদের বাড়িতে আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। শিবগঞ্জ থানার ওসি মির্জা আঃ সালাম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
বেহাল দশা চাঁপাপুর-চৌমুহনী ও নশরতপুর-কড়ই সড়কের
দেখার কেউ নেই। সড়কের পাথর-পিচ উথে যাচ্ছে, প্রায় সবখানেই সৃষ্টি হচ্ছে বড়বড় গর্ত। বগুড়ার আদমদীঘির চাঁপাপুর-চৌমুহনী ও নশরতপুর-কড়ই সড়কের কার্পেটিং উঠে
গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কগুলো দীর্ঘদিনেও সংস্কার না
করায় যানবাহনসহ সাধারণ মানুষের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আদমদীঘির চাঁপাপুর থেকে চৌমুহনী মহাসড়ক পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার সড়ক দিয়ে বগুড়া জেলা শহরসহ সারাদেশের সঙ্গে চাঁপাপুর কুন্দগ্রাম ইউনিয়নের এবং পার্শ্ববর্তী নন্দীগ্রাম ও রানীনগর উপজেলার হাজার হাজার মানুষের যোগাযোগের একমাত্র পথ। এই পাকা সড়কে ৩ বছর আগে কার্পেটিং উঠে ছোট-বড় শত শত গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়লেও কোনো সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করছে না সংশ্লিষ্ট বিভাগ। এ ছাড়া নশরতপুর থেকে কড়ই পর্যন্ত প্রায় ৬ কিলোমিটার পাকা সড়কের অধিকাংশ স্থানেই পাকা কার্পেটিং উঠে অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এই জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক দুটিতে প্রায় ঘটছে দুর্ঘটনা। এসব রাস্তার গর্তে বাস-ট্রাক, ভটভটির যন্ত্রাংশ ভেঙে পড়ে থাকছে।
মনে হয় এলাকার দায়িত্তশীলরা শীতনিদ্রায় গেছে। আদমদীঘি উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম মোর্শেদ জানান, সড়ক দুটি পুনঃসংস্কারের কাজের জন্য বরাদ্দ চেয়ে কয়েক দফায় কর্তৃপক্ষের কাছে লেখা হয়েছে।
আদমদীঘির চাঁপাপুর থেকে চৌমুহনী মহাসড়ক পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার সড়ক দিয়ে বগুড়া জেলা শহরসহ সারাদেশের সঙ্গে চাঁপাপুর কুন্দগ্রাম ইউনিয়নের এবং পার্শ্ববর্তী নন্দীগ্রাম ও রানীনগর উপজেলার হাজার হাজার মানুষের যোগাযোগের একমাত্র পথ। এই পাকা সড়কে ৩ বছর আগে কার্পেটিং উঠে ছোট-বড় শত শত গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়লেও কোনো সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করছে না সংশ্লিষ্ট বিভাগ। এ ছাড়া নশরতপুর থেকে কড়ই পর্যন্ত প্রায় ৬ কিলোমিটার পাকা সড়কের অধিকাংশ স্থানেই পাকা কার্পেটিং উঠে অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এই জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক দুটিতে প্রায় ঘটছে দুর্ঘটনা। এসব রাস্তার গর্তে বাস-ট্রাক, ভটভটির যন্ত্রাংশ ভেঙে পড়ে থাকছে।
মনে হয় এলাকার দায়িত্তশীলরা শীতনিদ্রায় গেছে। আদমদীঘি উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম মোর্শেদ জানান, সড়ক দুটি পুনঃসংস্কারের কাজের জন্য বরাদ্দ চেয়ে কয়েক দফায় কর্তৃপক্ষের কাছে লেখা হয়েছে।
জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে বগুড়া সদর
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় বগুড়ায় ১২টি উপজেলা থেকে ৪৫ হাজার ৫২২
পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ১১৪ জন। জেলার মধ্যে জিপিএ-৫ ও
পরীক্ষার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি বগুড়া সদর উপজেলায়। সদর উপজেলায় ৭ হাজার
৫৭৮ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৭ হাজার ৫৩৭ জন। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৪৫ ভাগ।
জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯০৫ জন। পাসের হার জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি শেরপুর
উপজেলায়। ওই উপজেলায় ৪ হাজার ৬২৮ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৪
হাজার ৬২৪ জন। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৯১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৫৩ জন।
এ ছাড়া গাবতলী উপজেলায় ৪ হাজার ২৫ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৪ হাজার ৮ জন। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৫৭ ভাগ। নন্দীগ্রাম উপজেলায় ২ হাজার ২৯৪ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ২ হাজার ২৮৩ জন। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৫২ ভাগ। দুপচাঁচিয়া উপজেলায় ২ হাজার ৪৪৮ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ২ হাজার ৩৮৪ জন। পাসের হার ৯৭ দশমিক ৩৮ ভাগ। শিবগঞ্জ উপজেলায় ৪ হাজার ৭৪৯ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৪ হাজার ৭৬৩ জন। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৭২ ভাগ। সারিয়াকান্দি উপজেলায় ৩ হাজার ২৩৩ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৩ হাজার ২২১ জন। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৬২ ভাগ। সোনাতলা উপজেলায় ৩ হাজার ২৮ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৩ হাজার ১৩ জন। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৫০ ভাগ। শাজাহানপুর উপজেলায় ৩ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৩ হাজার ৪৮৫ জন। পাসের হার ৯৬ দশমিক ২৪ ভাগ। কাহালু উপজেলায় ২ হাজার ৬৭২ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ২ হাজার ২৪৫ জন। পাসের হার ৯৮ দশমিক ৯৮ ভাগ। আদমদীঘি উপজেলায় ২ হাজার ৯৯১ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ২ হাজার ৮৮০ জন। পাসের হার ৯৭ দশমিক ৯২ ভাগ।
এ ছাড়া গাবতলী উপজেলায় ৪ হাজার ২৫ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৪ হাজার ৮ জন। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৫৭ ভাগ। নন্দীগ্রাম উপজেলায় ২ হাজার ২৯৪ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ২ হাজার ২৮৩ জন। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৫২ ভাগ। দুপচাঁচিয়া উপজেলায় ২ হাজার ৪৪৮ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ২ হাজার ৩৮৪ জন। পাসের হার ৯৭ দশমিক ৩৮ ভাগ। শিবগঞ্জ উপজেলায় ৪ হাজার ৭৪৯ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৪ হাজার ৭৬৩ জন। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৭২ ভাগ। সারিয়াকান্দি উপজেলায় ৩ হাজার ২৩৩ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৩ হাজার ২২১ জন। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৬২ ভাগ। সোনাতলা উপজেলায় ৩ হাজার ২৮ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৩ হাজার ১৩ জন। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৫০ ভাগ। শাজাহানপুর উপজেলায় ৩ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৩ হাজার ৪৮৫ জন। পাসের হার ৯৬ দশমিক ২৪ ভাগ। কাহালু উপজেলায় ২ হাজার ৬৭২ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ২ হাজার ২৪৫ জন। পাসের হার ৯৮ দশমিক ৯৮ ভাগ। আদমদীঘি উপজেলায় ২ হাজার ৯৯১ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ২ হাজার ৮৮০ জন। পাসের হার ৯৭ দশমিক ৯২ ভাগ।
Subscribe to:
Posts (Atom)
